ব্রাজিল সাম্বার দেশ | Amazing Facts about Brazil in Bengali
ব্রাজিল সাম্বার
দেশ
Amazing Facts about Brazil in Bengali
********************************************************************************
ব্রাজিল সম্বন্ধে জানতে শুধু ২ টো জিনিসই যথেষ্ট - সাম্বা নাচ আর মহান ফুটবলার পেলে।
তাহলে চলুন জেনে নেওয়া যাক দক্ষিণ আমেরিকা মহাদেশের এই সবথেকে বদ দেশটির ব্যাপারে -
১. ব্রাজিল দক্ষিণ আমেরিকা এবং ল্যাটিন আমেরিকান দেশ গুলির মধ্যে আয়তনে সব থেকে বড় দেশ। এই দেশের আয়তন ৮৫১৫৭৬৭ বর্গ কিলোমিটার। এওবং আয়তনের হিসেবে পৃথিবীর অন্যান্য দেশের তুলনায় ব্রাজিল পঞ্চম স্থান অধিকার করে।
২. দক্ষিণ আমেরিকার পূর্ব উপকূলের এক বিশাল জায়গা জুড়ে থাকা ব্রাজিল , দক্ষিণ আমেরিকার ২টি দেশ - ইকোয়াডর এবং চিলি বাদে বাকি সমস্ত দেশ গুলির সাথে নিজের সীমানা শেয়ার করে।
৩. আকার এর দিক দিয়ে দেশটি এতো বড় যে দক্ষিণ আমেরিকা মহাদেশের প্রায় ৪৭ শতাংশ জায়গা জুড়ে ব্রাজিল রয়েছে।
৪. পৃথিবীর মধ্যে ব্রাজিল এমন একটি দেশ যার মধ্যে দিয়ে একোয়াটার এবং ট্রপিক অফ ক্যাপ্রিকর্ন এই দুটি এক সাথে চলে গেছে। এই দেশে ৪ টি টাইম জোনে দেখা যে. দেশের পূর্ব উপকূলে আটলান্টি মহাসাগর এর সাথে এই দেশের এক বিশাল উপকূলীয় এলাকা দেখা যে যার দৈর্ঘ প্রায় ৭৪৯১ কিলোমিটার।
৫. পৃথিবীর দ্বিতীয় দীর্ঘতম যদি আমাজন নদী এই ব্রাজিল এর মধ্যে দিয়ে বই গেছে। আর এই দেশে অবস্থিত আমাজন রেনফরেস্টএ পৃথিবীর সবথেকে বেশি সংখ্যক জৈব বৈচিত্রের উপস্থিতি লক্ষ করা যে। এই সব রেনফরেস্ট এ পৃথিবীর কিছু দুর্লভ প্রজাতির পশু পাখি থেকে শুরু করে নানা ধরণের মাছ দেখা যায়। আর এই রেইন ফরেস্ট এর সর্বাদিক পরিমাণ অংশ যা প্রায় ৬০ শতাংশ শুধু মাত্র ব্রাজিলেই পড়ে ।
৬. ব্রাজিলে একটি দ্বীপ আছে যাকে স্নেক আইল্যান্ড (Snake Island )নামে ডাকা হয়ে। এই দ্বীপে পৃথিবীর কিছু বিষধর সাঁপ আছে প্রচুর পরিমাণে থাকে। তাই এই সব সাঁপগুলিকে সংরক্ষিত করে রাখতে এই দ্বীপটিতে সাধারণ মানুষের যাওয়া সরকার থেকে নিষেধ করে দেওয়া আছে। মনে করা হয়ে যে এই দ্বীপটিতে নাকি পরীত্বেক বর্গ মিটার এ ১ থেকে ৫ টি সাঁপ থাকতে পারে।
৭. ব্রাজিলের রাজধানীর নাম হলো ব্রাজিলিয়া এবং সব থেকে জনবহুল শহর হলো সাওপাওলো। ব্রাজিলিয়া (Brasilia)শহরটির পরিকল্পনা কাপড়ে লুসিও কোস্টা এবং অস্কার নেইমেয়ের নামের দুই জন আর্কিটেক্ট। এই শহরটির নির্মাণ শুরু হয়ে ১৯৫৬ সালে এবং শেষ হয়ে ১৯৬০ সালে। তবে দারুন ভাবে এই শহরের নির্মাণ হয়ে মাত্র ৪১ মাসের মধ্যে যা সত্যি এক ম্যাজিকের মতো ঘটনা। আর শহরটিকে দেখতে অনেকটা এরোপ্লেনে এর মতো।
ইমেজ সোর্স - উইকিপেডিয়া
৮. কিন্তু ১৯৬০ সালের আগে ব্রাজিলের রাজধানী হিসেবে পরিচিত ছিল রিও দে জেনেরিও যাকে ছোট্ট করে রিও বলা যেতে পারে।
ব্রাজিল এর পর্যটন শিল্পের মূল আকর্ষণের মধ্যে এই রিও এর সাম্বা নাচ , সৈকতের ধরে নর্মিত দামি দামি হলে এবং যীশু খ্রিস্টের বিখ্যাত স্ট্যাটুটি এই রিও তেই আছে।
৯. তবে রিও কিন্তু আরো কিছু ব্যাপার যেমন বিভিন্ন রকমের খেলা ধুলা এবং বিখ্যাত ব্রাজিলিয়ান কার্নিভাল যা ব্রাজিলের এক বাৎসরিক উৎসব এই রিও তে খুবই জনপ্রিয়।এই ধরণের কার্নিভাল রিও, ভিটোরিয়া তথা দেশের সব থেকে জন বহুল শহর সাও পাউলো তেও যথেষ্ট যেন প্রিয়। এই কার্নিভাল উৎসবের দারুন রিও এর সৈকতে প্রচুর মানুষের ভিড় হয়ে যার ফলে এই কার্নিভাল এ একসাথে এক জায়গায় জমা হওয়া এতো সংখক মানুষের ওয়ার্ল্ড রেকর্ড পর্যন্ত আছে।
১০. এক গণনা অনুযায়ী দক্ষিণ আমেরিকার এক প্রধান পর্যটক স্থল হিসেবে ব্রাজিল বিবেচিত হয়েছে। কেবল মাত্রা ২০১৫ অনুযায়ী এই দেশে ৬ মিলিয়নের বেশি সংখক মানুষ এই দেশে বেড়াতে এসেছে। এই বিশাল পরিমাণ পর্যটক আসার দারুন পর্যটন শিল্প এই দেশের অর্থনীতিতে এক গুরুত্ব পূর্ণ অংশ গ্রহণ করে।
১১. বিশ্বের অষ্টম সবথেকে বড় অর্থনটি ব্যবস্থা সম্পন্ন এই দেশটি বর্তমানে পৃথিবীরজাবটিও গুরুত্বপূর্ণ শিল্প যেমন - এয়ারক্রাফট ম্যানুফ্যাকচারিং , অটোমোবিলেস ইন্ডাস্ট্রি , ইরানে ওরে অর্থাৎ লৌহ আকরিক , কমলালেবুর জুস এবং অবসসই কফি রপ্তানিতে পৃথিবীর প্রথম সারি দেশ গুলির মধ্যে একটি। তাই বিশ্বের বাজারে রপ্তানি গত মূল্য অনুযায়ী দেশটি ২৩ টম স্থান অধিকার করে আছে। Embraer নামক এক ব্রাজিলিয়ান বিমান প্রস্তুতকারক কোম্পানি পৃথিবীর প্রথম পাঁচটি বিমান প্রস্তুত কারক কোম্পানিদের মধ্যে পড়ে . আর বিগত প্রায় ১৫০ বছর ধরে ব্রাজিল বিশ্বের সবথেকে বেশি পরিমাণে কফি উৎপাদন করে থাকে।
১২. দেশে অবস্থিত ৪০৯৩ টি এয়ারপোর্ট থাকায় ব্রাজিল বিশ্বের ২য় সবথেকে বেশি সংখক বিমান বন্দর সম্পন্ন দেশ। এর আগে একমাত্র ইউনাইটেড স্টেটস অফ আমেরিকা তেই সবথেকে বেশি পরিমাণে প্রায় ১৪০০০ হাজারেরও বেশি সংখ্যক বিমান বন্দর রয়েছে। শুধু তাই যে দেশের চাৰি দিকে ছড়িয়ে থাকা ২৮৫৩৮ কিলোমিটার দৈর্ঘের রেলপথ থাকে ব্রাজিল কে বিশ্বের দশম সব থেকে বড় রেলওয়ে নেটওয়ার্ক সম্পন্ন দেশ বলা হয়ে থাকে।
১৩. ২০১৮ অনুযায়ী ব্রাজিল এর মোট জনসংখ্যা প্রায় ২০৮৭৩৩১০২ জন। যা জন সংখ্যা অনুযায়ী পৃথিবীতে ষষ্ঠ স্থান অধিকার করেছে। এই দেশের যোজন সংখ্যার অধিকাংশ মানুষ খ্রিস্টান সম্প্রদায়ের এবং এমনটা মনে করা হয়ে যে ইউনাইটেড স্টেটস অফ আমেরিকার পর এই দেশে সর্বাধিক সংখ্যক খ্রিস্টান ধর্মের মানুষ থাকেন। এদের মধ্যে অধিকাংশ মানুষ রোমান ক্যাথলিক সমাজের।
১৪. ব্রাজিল এর জাতীয় ভাষা পর্তুগিজ এবং এখানকার নাওগোরিকদের ব্রাজিলিয়ান বলা হয়ে থাকে।
১৫. ব্রাজিলে প্রায় ৬৭ টি বিভিন্ন উপজাতির মানুষ বসবাস করেন। যারা প্রায় ১৮০ টি না রকমের ভাষায় কথা বলে থাকে।
১৬. এক গণনা অনুযায়ী জাপানের বাইরে সব থেকে বেশি সংখ্যক জাপানি মানুষ নাকি ব্রাজিলে বসবাস করেন।
১৭. "silva " নামক পদবীটি ব্রাজিলে সবথেকে বেশি জনপ্রিয়।
১৭. ব্রাজিল দেশটির নামকরণ করা হয়েছে পর্তুগিজ শব্দ brazilwood থেকে। brazilwood আসলে আসলে একধরণের গাছ যা ব্রাজিলের উপকূলবর্তী অঞ্চলে প্রচুর পরিমাণে দেখা যে।
১৮. আধিকারিক ভাবে ব্রাজিলকে Federative Republic of Brazil বলা হয়ে থাকে। ব্রাজিল প্রায় ৩০০ বছর যাবৎ পর্তুগিজদের দখলে থাকে। পরে ১৮২২ সালে ব্রাজিল পর্তুগিজ দেড় থেকে স্বাধীনতা পায় এবং কিছু শাসকদের দ্বারা সংযুক্ত ভাবে Empire of Brazil নামে যা এক সাংবিধানিক রাজতন্ত্র ও পার্লিয়ামেন্টের সংযোগে গঠিত শাসন ব্যবস্থা ছিল। কিন্তু আধিকারিক ভাবে পর্তুগাল ১৮২৫ সালে ব্রজিলকে শেষমেস এক স্বাধীন রাষ্ট্র হিসেবে সীকৃতি দায়ে।
১৯. ব্রাজিলের ইতিহাস ঘটলে দেখা যাবে যে ব্রাজিল নিজের অর্থনীতি বেশ কয়েকবার তার জাতীয় মুদ্রাটিকে পরিবর্তন করেছে কিন্তু শেষ পর্যন্ত ১৯৯৪ সালে ব্রাজিলিয়ান রিয়াল (Brazilian real ) নামে এক মুদ্রা কে জাতীয় মুদ্রা হিসেবে সীকৃতি দেয়।
২০. ২০১৬ অনুযায়ী ব্রাজিলিয়ান রিয়েল বিশ্বের বাজারে সবচেয়ে বেশি পরিমাণে ব্যাবহার হয়ে মুদ্রা গুলির মধ্যে ১৯ তম স্থান অধিকার করেছে।
২১. সোনা যায় যে ব্রাজিলে কিছু অদ্ভুত ধরনের জেল আছে যেখানে জেলের কয়েদিদের শাস্তির সময়কাল জন্যে কিছু দারুন রকমের কার্য নির্ধারণ করা আছে।
যেমন - একটি জেলে নাকি কিছু মাটিতে পার্মানেন্ট ফিক্স করা বাইসাইকেল আছে যেগুলিতে প্যাডেল চালিয়ে কয়েদিরা বিদ্যুৎ উৎপাদন করে. এই বিদ্যুৎ আশেপাশের রাস্তা ঘাট থেকে শুরু করে নানা ধরণের কাজে ব্যবহার করা হয়ে থাকে। এই রকমে কাজ ভালো ভাবে করলে কয়েদিদের কারাদণ্ডের সময়ে কাল কিছুটা কম করে দেওয়া হয়ে।
তবে এখানে আরো একটি জেল আছে যেখানে ভালো ভাবে বেশি পরিমাণ বই পড়লে এবং খাতায় লেখা পড়া করলে জেলের কয়েদিদের এখানেও নাকি কারাদণ্ডের সোমে শিমা কিছু কম করে দেওয়া হয়ে।
কিন্তু বেশির ভাগ ক্ষেত্রে এটাও সোনা যে যে এখানকার বেশির ভাগ জেল এ নির্দিষ্ট সংখ্যার অধিক কয়েদিদের একসাথে থাকতে বাধ্য থাকতে হয়ে কারণ কয়েদিদের পরিমাণ দিনের পর দিন অনেক বেড়ে গেছে তাই তাদের সঠিক মতো জায়গা প্রদান করা সব সময়ে সম্ভব হয়ে ওঠেনা। তাই নানা সোমে জেল একাধিক বার হিংসার কিছু ঘটনাও ঘটে যে যার ফলে মানুষের প্রাণ হানি পর্যন্ত হয়ে থাকে।
২২. ব্রাজিল এর আইন ব্যাবস্থার কঠিন থাকলেও দেশে অপরাধের পরিমাণ যথেষ্ট বেশি। বেশির ভাগ ক্ষেত্রে চুরি, চিন্তায় এবং নেশা জাতীয় পদার্থের সাথে জড়িত দলকে মধ্যে লড়াই হয়ে এখানকার প্রশাসন এর কাছে সব সময় একটা চিন্তার ব্যাপার থেকেই যায়।
২৩. আপনি যদি Apple এর I Phone ব্রাজিল এর কোনো মার্কেট থেকে কেনেন তাহলে আপনাকে Uসা এর মার্কেট থেকে প্রায় ২ গণ দাম দিয়ে কিনতে হবে। এর এক প্রধান কারণ হলো দেশের সরকার আমদানি কারক জিনিসের ওপর অধিক মাত্রাতে ট্যাক্স বসিয়ে দেন এবং তার ফলে নোকিয়া, স্যামসাং,মটোরোলা এর মতো বহু স্মার্টফোনে কোম্পানি তাদের নজিদের ম্যানুফ্যাকচারিং প্লান্ট ব্রাজিলে বসিয়েছেন।
২৪. একসময় ফোর্ড কোম্পানির প্রতিষ্ঠাতা হেনরি ফোর্ড নাকি ব্রাজিলে একটি রবার গাছের জঙ্গল কিনে নিতে যাচ্ছিলেন। এই রবার তিনি পরবর্তী কালে নিজের গাড়ির কারখানাতে তৈরি হওয়া গাড়ির চাকার তৈরিতে কাজে লাগাতেন।
২৫. আমরা সকলই জানি পৃথিবীর নিজস্সো চৌম্বকীয় ক্ষেত্র আছে। এই চৌম্বক ক্ষেত্রটি পৃথিবীর অভ্যন্তর ভাগ থেকে শুরু করে মহাকাশ পর্যন্ত বিস্তৃত। পরবর্তীকাসলে এই মহাকাশে চৌম্বক ক্ষেত্রটি সূর্যের থেকে নির্গত সৌর বায়ুর সাথে মিলিত হয়। বর্তমানে বৈজ্ঞানিকদের মতে বিগত ১৮০ বছর ধরে ধীরে ধীরে পৃথিবীর এই চৌম্বকীয় ক্ষেত্রে প্রভাব কিছুটা কম হয়ে গেছে। এর প্রমাণ পাওয়া গেছে অতলান্তিক মহাগাওরের উওপকূলে ব্রাজিলের কাছ একটি জায়গাতে।
২৬. বিশ্বের প্রথম সারি ধনি ব্যক্তিদের নধ্যে ব্রাজিলিয়ানদের নাম আসে। এই দেশের বেশিরভাগ ধোনি ব্যক্তিদের আয়ের উৎস বিভিন্ন পানীয় জাত দ্রব্যের উৎপাদনকে মনে করা করা হয়ে।
২৭. আমরা Brazil Nut নামে একধরণের বাদামের কথা শুনে থাকি। এই বাদামের নাস শুনে কিছুক্ষনের জন্য মনে হতে পারে যে এটি হয়তো ব্রাজিলিয়ান বাদাম। এবং ব্রাজিলই হয়তো এর সর্বাদিক পরিমাণ রপ্তানি করে থাকে কিন্তু এই বাদাম এর সর্বাদিক পরিমাণ রপ্তানি কারক দেশটি হল Bolivia.
২৮. ব্রাজিল সম্বন্ধে কথা বললে যদি ফুটবল সম্বন্ধে কোনো কথা না হয়ে তাহলে অনেক কিছুই বাদ থেকে যাবে। আসলে ফুট বল খেলাটি ব্রাজিলের সবথেকে বেশি জনপ্রিয় খেলা। এই খেলার জগতে ব্রাজিলের জাতীয় দল টিকে পৃথিবীর সব থেকে সফলতম দল হিসেবে গণ্য করা হয়। ফুটবল বিশ্বকাপের ইতিহাসে সবথেকে বেশি বিশ্বকাপ জয়ের সাফল্য শুধুমাত্র বিড়ালের আছে,যা প্রায় ৫ বার। এবং ব্রাজিলের জাতীয় ফুটবল দলটি পৃথিবীর একমাত্র দোল যারা ফুটবল বিশ্বকাপ এর শুরু হওয়ার সময়ে থেকে এখনো পর্যন্ত প্রত্যেকটা বিশ্বকাপে অংশগ্রহণ করেছে।
Pele কে ব্রাজিল তথা বিশ্বের ফুটবল খেলার জগতে সবথেকে মহান খেলোয়াড়দের মধ্যে ধরা হয়ে।
এই দেশে ফুটবল খেলোয়াড়দের সুপারস্টার হিসেবে মনে করা হয়ে. যারা নিজের দেশ তথা বিষের নানা দেশের বিভিন্ন ক্লাবের হয়ে খেলে যথেষ্ট সুখ্যাতি অর্জন করে।
ইমেজ সোর্স - উইকিপেডিয়া
*********************************************************************************
তাহলে আপনাদের ব্রাজিল সম্বন্ধে কথা গুলি কেমন লাগলো ? আর আপনাদের কোনো কিছুর বব্যাপারে সুগ্গেশনস থাকে তাহলে নিচে কমেন্ট বাক্স এ লিখে আমাকে জানাতে পারেন।
ধন্যবাদ।


Comments
Post a Comment